সভাপতির বাণী

Bablu Ash Chairman
জ্ঞানই শক্তি জ্ঞানই আলো। শিক্ষাই গতি, শিক্ষাই করবে দূর জগতের যত কালো। শিক্ষাই পারে তথ্য প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন ধারাকে উন্নত থেকে উন্নততর করতে।
এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে আরো যুগোপযোগী ও আধুনিক করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। একটি আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন ওয়েবসাইট চালুকরণ তার একটি অংশ মাত্র। যার মাধ্যমে আমাদের বিদ্যালয়ের বিভিন্ন তথ্য ও ছবি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে এবং প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা ঘরে বসেই পরীক্ষার রুটিন, সিলেবাস, হাজিরা, ভর্তি ফরম পাবে। অভিভাবকরাও ঘরে বসেই উত্তরোত্তর তাদের সন্তানের পরীক্ষার ফল, আচরণিক পরিবর্তন, সাফল্য, আত্নপ্রকাশ ক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পারবে।
পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হবে এবং বিদ্যালয়ের প্রাক্তন, বর্তমান ও অনাগত শিক্ষক-শিক্ষাথী, অভিভাবক, শুভানুধ্যায়ী, মহৎপ্রাণ ব্যক্তিগণ তাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তথ্য, বিভিন্ন অর্জন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য তথ্য সমূহ দেখে উপকৃত কিংবা শিহরিত হবেন। দূর থেকে আমাদের অন্তরাত্নার রাখি বন্ধনে আবদ্ধ হবেন। এতে এ প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক মানোন্নয়নে একটি নতুন মাত্রিকতা যোগ হবে বলে আমার বিশ্বাস। এ প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেছা জানিয়ে এ ওয়েবসাইটের শুভ সূচনালগ্নে শুভকামনা করছি।
 
এ স্কুলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সুপরিকল্পিত পাঠ্যক্রম, সহ–পাঠ্যক্রম কর্মসূচির যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ছাত্রদের শারীরিক ও মানসিক গুণাবলীর সর্বোচ্চ উৎকর্ষ সাধন যাতে তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে এবং ভবিষ্যতে দেশ ও জাতিকে উপযুক্ত নেতৃত্ব দিতে পারে। অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে অভিজ্ঞ, প্রশিক্ষিত ও নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকমন্ডলী, অত্যাধুনিক পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান ল্যাব ও ব্যবহারিক ক্লাস এবং অত্যাধুনিকস্মার্ট ক্লাস রুম। । এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে আধুনিক তথ্য ও বইসমৃদ্ধ লাইব্রেরি; যেখানে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বই। প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণভাবে রাজনীতিমুক্ত এবং প্রকৃতিগতভাবে সাবলীল একটি আবাসিক প্রতিষ্ঠান।

প্রধান শিক্ষকের বাণী

Abu hanif34

বাগেরহাট জেলায় ঐতিহ্যবাহী যে কয়টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, বাহিরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি তার অন্যতম। বিদ্যালয়টি ইতোমধ্যে ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে শতবর্ষ পূরণ করেছে, যা অনেক সুখস্মৃতি আর গৌরব-গাঁথার ইতিবৃত্ত। ভাঙ্গা-গড়ার এই পৃথিবীতে বিদ্যালয়টি আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে এটাই প্রত্যাশা। নিয়মিত লেখাপড়ার পাশাপাশি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীল প্রতিভা বিকাশের এই প্রয়াস সত্যিই প্রশংসনীয়। বিদ্যালয় বার্ষিকীতে লেখনীর মাধ্যমে তারা বিকশিত হোক এই কামনা রইল।

তরুণ, উদ্যমী ও প্রত্যয়ী আমার সহকর্মীদের সহযোগীতায় আমরা যেন বিদ্যালয়টিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি সে প্রত্যাশা ব্যাক্ত করছি।  

 
এ স্কুলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সুপরিকল্পিত পাঠ্যক্রম, সহ–পাঠ্যক্রম কর্মসূচির যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ছাত্রদের শারীরিক ও মানসিক গুণাবলীর সর্বোচ্চ উৎকর্ষ সাধন যাতে তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে এবং ভবিষ্যতে দেশ ও জাতিকে উপযুক্ত নেতৃত্ব দিতে পারে। অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে অভিজ্ঞ, প্রশিক্ষিত ও নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকমন্ডলী, অত্যাধুনিক পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান ল্যাব ও ব্যবহারিক ক্লাস এবং অত্যাধুনিকস্মার্ট ক্লাস রুম। । এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে আধুনিক তথ্য ও বইসমৃদ্ধ লাইব্রেরি; যেখানে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বই।প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণভাবে রাজনীতিমুক্ত এবং প্রকৃতিগতভাবে সাবলীল একটি অনাবাসিক প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

বাহিরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৮৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিদ্যালয়টি কলিকতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী স্বিকৃতী প্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে সুনামের সাথে জ্ঞানের আলো প্রদান করছে।

অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ডাঃ জানকী নাথ রায়। সেক্রেটারী ছিলেন মানসা গ্রামের অধিবাসী ভগিরথী সেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও শিক্ষক মন্ডলী ভারতে গমন করার ফলে বিদ্যালয়টি ক্ষতির সম্মূক্ষীন হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সেক্রেটারীর দায়িত্ব অর্পিত হয় অধ্যাপক রমেশ চন্দ্র সাহার উপর। তারপর থেকে বর্তমান পর্যন্ত স্কুলটি সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে।

0 +

শিক্ষক

0 +

বিভাগ

0 +

শ্রেণিকক্ষ

0 +

শিক্ষার্থী

মিডিয়া গ্যালারী